শালিখায় সেই বিতর্কিত ইউ.পি উদ্যোক্তার পুনঃবহালের জন্য বিভিন্ন মহলের তদবীর

56
1749

মাগুরা প্রতিনিধিঃ মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের উদ্যোক্তা সোহরাব হোসেনের নামে অনৈতিক অর্থ দাবি ও জনসাধারনকে হয়রানির অভিযোগ করে ভুক্তভোগী জনগন। বিগত ২০২১ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীরা গনস্বাক্ষর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিথিত অভিযোগ প্রদান করে  এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রেসক্লাব বরাবর অভিযোগের লিখিত অনুলিপি প্রদান করে।তাছাড়াও স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকাসহ ও বিভিন্ন স্যাটেলাইট ও অনলাইন টেলিভিশনে উক্ত নিউজ প্রচারিত হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাবা তিথী মিত্রকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দীর্ঘদিন পার হয়েগেলেও পর্যায়ক্রমে উক্ত উদ্যোক্তার ভোগান্তির মাত্রাবৃদ্ধি পেতে থাকে এবং অভিযোগকারী জনসাধারনের জন্মনিবন্ধন সেবা বন্ধ করে দিয়ে হয়রানি ও হুমকি ধামকি প্রদান করে থাকে। উদ্যোক্তা সোহরাব হোসেনের অত্যাচারের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকলে এবং  দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও প্রশাসনের কোন তৎপরতা না দেখতে পেয়ে  ভুক্তভোগীরা উপজেলা পরিষদের সামনে ১লা ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মানববন্ধন করে এবং লিখিত স্মারক লিপি জমা দিতে গেলে তিনি স্মারক লিপি গ্রহন না করে, সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী জনসাধারনকে বলেন আমাদের কাছে একটি অভিযোগ রয়েছে যাহার তদন্ত চলমান।  তাছাড়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে,উক্ত উদ্যোক্তা কিছু স্থানীয় ইউপি সদস্য ও অসাধু লোকদের নিয়ে গোপনে উদ্যোক্তা পদ পুনঃবহালের জন্য বিভিন্ন মহলে তদবির ও দোড়ঝাপ শুরু করেছেন।এবিষয়ে ইউপি সচিব জনাব আমির হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন তার দূর্নীতির বিষয়ে প্রমান পেয়ে আমি উধ্বর্তন কর্মকর্তাকে জানিযেছি, উনারা পরবর্তী ব্যবস্থা নিবেন এবং স্থানীয় কিছু ইউপি মেম্বার তাহার অনৈতিক কাজে সহায়তা করায় সে দিন দিন এই অনিয়ম ও দূর্নীতি করে আসছে।

উল্লেখ্য যে উদ্যোক্তা সোহরাব হোসেন বিভিন্ন সময়ে জন্মনিবন্ধন করতে সাধারন জনগনকে পাঁচশত থেকে দুই হাজার টাকা দাবি করেন। কেহ যদি উক্ত টাকা দিতে অপারগতা স্বীকার করে তবে তাকে পড়তে হয় রোষানলে ঘুরতে হয় দিনের পর দিন এমনকি কাউকে ঘুরতে হয় বছরের পর বছর।তাছাড়া সে বিভিন্ন সমযে অনৈতিক ভাবে নগদ ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন সময়ে অল্প বয়সী ছেলে মেয়েদের জন্ম নিবন্ধন করে দেন এবং বাল্য বিবাহ প্রদানে পরোক্ষভাবে সহায়তা করে বলে জানা গেছে। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য এরকম কিছু অসাধু উদ্যোক্তাদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রুপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের প্রধান হুমকি বলে মনে করেন বিশিষ্টজন ও সুধী সমাজ।

এছাড়াও ভুক্তভোগীরা উক্ত উদ্যোক্তার চুক্তি নবায়ন বাতিল ও সুন্দরভাবে সেবা প্রদান করতে পারে এমন একজন উদ্যোক্তা নিয়োগ করলে উপজেলা প্রশাসন ও জেলাপ্রশাসনের কৃতঙ্ঘ থাকবেন বলে জানান।

56 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here