আজ অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। রক্তস্নানের মধ্য দিয়ে ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দিন। সব বাধা অতিক্রম করে বাংলাকে পাথেয় করে এগিয়ে যাওয়ার শপথের দিন। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য এদিন সালাম, বরকত, রফিকসহ অনেকে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন।

এজন্যই দিনটি একই সঙ্গে গৌরবের ও শোকের। জাতি আজ শ্রদ্ধাভরে সেইসব শহীদদের স্মরণ করছে। দিবসটি শুধু বাঙালির নয়, পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের। পৃথিবীর কয়েক হাজার ভাষাভাষী মানুষও দিনটি শ্রদ্ধাভরে পালন করছেন।

বিনম্র শ্রদ্ধা, যথাযথ মর্যাদা ও পূর্ণ ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতি ভাষাশহীদদের স্মরণের মাধ্যমে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন শুরু করেছে।

দিবসের প্রথম প্রহরে ১২ টা ১ মিনিটে মাগুরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল বেদিতে পুষ্প মালা অর্পণ করেন মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এইচএন কামরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আলী আশরাফ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউনুছ আলী, ফারুক আহমেদ,ইমান উদ্দিন ,সজিব বিশ্বাস, রিকো সিকদার ,নজরুল ইসলাম মিলন, এস এম শিমুল রানা, শাহীন খন্দকার, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাবু, গিয়াসউদ্দিন চঞ্চল প্রমুখ।

এসময় এইচ এন কামরুল ইসলাম বলেন, বায়ান্নর সেই সোনাঝরা রোদ্দুরে রক্তস্নাত মোদের গৌরব মোদের আশাকে যথাযথ প্রকাশে একুশ চিরদিনই আমাদের শানিত চেতনা। একুশ আমাদের বাঁচতে শেখায়, লড়াই করে অধিকার আদায় করতে শেখায়। একুশ বাঙালি জাতির গর্ব ও অহংকার। ভাষাসংগ্রামের রক্তস্নাত সেই বিস্ফোরণ শুধু বাঙালির মায়ের ভাষাকেই শৃঙ্খলমুক্ত করেনি; বাঙালির স্বাধিকার, স্বাধীনতা, সব ধরনের বৈষম্য দূর করার সংগ্রাম ও অনুপ্রেরণার উৎস।

তিনি আরোও বলেন, ‘আসুন দলমত নির্বিশেষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখি। সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। প্রতিষ্ঠা করি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।’

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here